বহু বাবা-মা একটা দোটানায় ভোগেন। একদিকে চান সন্তান নামাজি, নৈতিক, দ্বীনদার হোক। অন্যদিকে চান সে ইংরেজি বলুক, বিজ্ঞান বুঝুক, আত্মবিশ্বাসী হয়ে দুনিয়ার সাথে পাল্লা দিক। এরপর প্রশ্ন আসে: দুটো কি একসাথে পাওয়া যায়?
আমাদের উত্তর: হ্যাঁ, এবং যাওয়া উচিতও। ইসলামের প্রথম আয়াত "পড়ো"। জ্ঞান অর্জন ইসলামে বাধ্যতামূলক, আর সেই জ্ঞান শুধু একটা বিষয়ে সীমাবদ্ধ নয়। সমস্যা তখনই হয়, যখন একটা স্কুল শুধু একদিক গড়ে, অন্যদিক ফেলে রাখে।
দুই দিকের ঘাটতি দুই রকম
- শুধু আধুনিক পড়া — ফল ভালো হয়, কিন্তু নৈতিক ভিত দুর্বল থাকে। শিশু পরীক্ষায় এগিয়ে থাকলেও জীবনের বড় সিদ্ধান্তে দিশা হারাতে পারে।
- শুধু ধর্মীয় পড়া — ভিত শক্ত হয়, কিন্তু গণিত, বিজ্ঞান, ভাষার মতো আজকের দিনের হাতিয়ারগুলো অপূর্ণ থাকে।
আমরা দুটোকে বিপরীত নয়, পরিপূরক হিসেবে দেখি।
ফ্লারিশ কীভাবে মেলায়
আমাদের পাঠ্যক্রম চারটা ধারা মিলিয়ে সাজানো। জাতীয় ধারা দেয় দেশের শিক্ষার শক্ত ভিত। ইসলামিক ধারায় থাকে কুরআন পড়া, দোয়া, নামাজ, নবী-রাসূলদের গল্প আর প্রতিদিনের আদব। ব্রিটিশ ধাঁচ থেকে আসে খেলতে খেলতে শেখা আর ইংরেজিতে কথা বলার আত্মবিশ্বাস। জাপানি ধাঁচ থেকে নেওয়া হয়েছে মনোযোগ, শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা আর নিজের কাজ নিজে করার অভ্যাস।
ধর্ম এখানে আলাদা বোঝা নয়, দিনের স্বাভাবিক ছন্দের অংশ। নামাজ, দোয়া, আদব, সবই আসে সহজভাবে, জোর করে নয়। আর চরিত্রের ১০০ নম্বরের একটা বড় অংশ, ১৫ নম্বর, নামাজ, আদব ও ইসলামি অভ্যাসের জন্য।
আপনি ঘরে কী করতে পারেন
- রাতে ঘুমানোর আগে মোবাইলের বদলে একটা দোয়া বা নবীজির (সা.) জীবনের ছোট গল্প শোনান।
- নামাজের সময় সন্তানকে পাশে দাঁড় করিয়ে নিন। শিশু উপদেশে নয়, অভ্যাস দেখেই শেখে।
- সন্তান প্রশ্ন করলে ধমক দেবেন না। "কেন" জিজ্ঞেস করা ইসলামি শিক্ষারই অংশ।
ফ্লারিশ সম্পর্কে আরও জানতে চান?
বয়স ৩-১০ বছরের জন্য ভর্তি চলছে — ক্যাম্পাস ভিজিট করুন অথবা এখনই আবেদন করুন।
